একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার কোনো বিক্রেতার পণ্য বা সেবা যেকোনো অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক বহির্ভূত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন। বিনিময়ে বিক্রেতা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার কিংবা ঐ ওয়েবসাইটকে তাঁর বিক্রিত পণ্যের একটি লভ্যাংশ দিয়ে থাকেন। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইট কিংবা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন, ফেসবুক, ইন্সট্রাগ্রাম ইত্যাদি ব্যবহার করে কোনো একটি কোম্পানির পণ্য রেফার বা প্রচার করতে পারেন এবং সেখান থেকে যদি পণ্যটি বিক্রি হয় তবে ঐ পণ্য থেকে আপনি একটি কমিশন পেয়ে থাকবেন।
এক্ষেত্রে আপনার যদি অনেক ভিজিটর সম্পন্ন একটি ওয়েবসাইট থাকে কিংবা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচুর ফলোয়ার থাকে তবে আপনার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফলতা পাওয়া তুলনামূলক সহজ। তাই আপনার প্রচারণার দক্ষতা ও মানুষকে প্রভাবিত করার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বলতে গেলে একদম বিনা পুঁজিতেও শুরু করে দিতে পারেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। কারন বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে ফিলিয়েট মার্কেটিং এর কোন বিকল্প নেই।
বিনা পুঁজিতে ১০ টি লাভজনক অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া। টপিকটা শুনতেই অনেক ভালো লাগতেছে তাইনা? বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। ইন্টারনেটের বদৌলতে বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের যোগাযোগ যেমন সহজ হয়েছে। ঠিক তেমনি নিজস্ব সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে অনলাইনে বিভিন্ন ব্যবসার অথবা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
নিজেকে স্বাধীনভাবে মেলে ধরার সুযোগ, বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার হাতছানিতে অনেকেই স্বল্প পুঁজি কিংবা কখনো বিনা পুঁজিতে অনলাইন ব্যবসা করার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছে। আবার অনেকেরই অনলাইনে ব্যবসা করার ইচ্ছা থাকলেও বুঝে উঠতে পারছেনা মূলধন বিহীন কিভাবে কোন ব্যবসাটি দিয়ে শুরু করবে। আবার শুরু করলেও কি ব্যবসাটি আদৌ লাভের মুখ দেখবে কিনা, এসব প্রশ্ন অনেকের মনের মধ্যেই খচখচ করতে পারে। তবে নিজের দক্ষতা, পরিশ্রমের মিশেলেই অনলাইন ব্যবসায় সফল হতে পারেন আপনিও।

very good post
উত্তরমুছুনএকটি মন্তব্য পোস্ট করুন